বাংলাদেশ পুলিশের কর্ণধার ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির, বিপিএম মহোদয়ের নারায়ণগঞ্জ জেলার একাধিক পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০৫:২৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
১৯ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি. (সোমবার) শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলার একাধিক পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির, বিপিএম, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ।
আইজিপি মহোদয় নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন শ্রী রামকৃষ্ণ মিশন পূজা মন্ডপ ও আমলাপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে আইজিপি মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বলেন, “দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ
করে যাচ্ছে। জনগণের
স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনীর মধ্যে সুসমন্বয়ের ফলে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে।” তিনি আরো বলেন, “মাদক, চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশ জিরো টলারেন্স। চাঁদাবাজ যে দলেরই হোক না কেন তাকে ছাড় দেয়া হবে না।” এ সময় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার জনাব মোঃ মনিরুজ্জামান মিঞা, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান, পিপিএম, জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী শংকর কুমার দে, পূজা উদযাপন কমিটির উপদেষ্টা শ্রী প্রবীর কুমার মিত্রসহ পূজা উদযাপন পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অতঃপর ইন্সপেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ পুলিশ জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির, বিপিএম মহোদয় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্সের মাল্টিপারপাস কক্ষে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ইউনিট প্রধানবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা করেন। এসময় আইজিপি মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বাংলাদেশ পুলিশ মাদক, সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে। সারাদেশে বিপুল সংখ্যক মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সম্প্রতি উপজেলা পর্যায়ে কিশোর গ্যাং দমনে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের সভাপতি ও অফিসার ইনচার্জদের সদস্য সচিব করে কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এছাড়া সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের সাইবার ইউনিট গঠন করা হয়েছে। অনলাইন প্রতারণা, অনলাইন জুয়া, সোস্যাল মিডিয়ায় হয়রানি বন্ধে সাইবার ইউনিট কাজ করবে।
এসময় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার, সিআইডি’র অতিরিক্ত ডিআইজি, নৌপুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি, ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল পুলিশের পুলিশ সুপার, সিও, ৬২ বিজিবি, পরিচালক, এনএসআই, সিভিল সার্জন, সহকারী পরিচালক, ডিজিএফআই, আনসার কমাড্যান্ট, জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারবৃন্দ, সহকারী পুলিশ সুপারবৃন্দ এবং অফিসার ইনচার্জবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।









