*দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে শ্যামপুর থানা পুলিশের অভিযান: ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও ৯ হাজার মুখোশ উদ্ধার, গ্রেফতার এক*
- আপডেট সময় : ০২:১৫:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে অভিযান পরিচালনা করে বিস্ফোরক দ্রব্য ও ককটেল তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং অসৎ উদ্দেশ্যে প্রস্তুতকৃত ৯ হাজার পিস কাগজের মুখোশ উদ্ধারসহ এক দুষ্কৃতিকারীকে গ্রেফতার করেছে শ্যামপুর মডেল থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতের নাম- জাহিদ হাসান ইমন (৩০)।
শ্যামপুর মডেল থানা সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি তদন্তে ওয়ারী বিভাগের যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুরসহ সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে জাহিদ হাসান ইমনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। এরই ধারাবাহিকতায় শ্যামপুর মডেল থানা পুলিশ শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন বাগাশুর এলাকায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশের সহায়তায় জাহিদ হাসান ইমনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ককটেল তৈরিতে ব্যবহৃত কস্টিক সোডা ১ কেজি ৫০০ গ্রাম, সালফার ১ কেজি ৬০০ গ্রাম, ককটেল তৈরিতে ব্যবহৃত মারবেল ৫ কেজি, ১ ইঞ্চি তারকাঁটা ২ কেজি, ককটেল মোড়ানোর কাজে ব্যবহৃত লাল কস্টেপ ২০টি ও কালো কস্টেপ ১১টি, অসৎ উদ্দেশ্যে প্রস্তুতকৃত কাগজের তৈরি ৩ কার্টুনে মোট ৯ হাজার পিস মুখোশ, মুখোশ পরার ইলাস্টিক ৩০ প্যাকেট, ককটেল তৈরির উপাদান বিচূর্ণ করার কাজে ব্যবহৃত জাইপান (Jaipan) ব্র্যান্ডের একটি ব্লেন্ডার ও একটি জার উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত জাহিদ হাসান ইমন স্বীকার করে লালবাগের এক নেতার মাধ্যমে অজ্ঞাত এক ভ্যানচালকের সাহায্যে অসৎ উদ্দেশ্যে প্রস্তুতকৃত মুখোশগুলো তার কাছে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন নেতা-কর্মীর মধ্যে বিতরণের উদ্দেশ্যে সেগুলো তার বাসায় সংরক্ষণ করা হয়েছিলো।
গ্রেফতারকৃত ইমনের বিরুদ্ধে ডিএমপির শাহবাগ ও লালবাগ থানায় পৃথক দুইটি মামলা রয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত জাহিদ হাসান ইমনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



















