ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অবশেষে তারেক রহমানের সাক্ষাৎ পেলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা-কর্মীরা কানাডায় পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎঃ চক্রের এক নারী সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি কালিয়াকৈরে দীর্ঘ গ্যাস সংকট থাকার কারণে গ্যাসের চাপ বাড়ায় পোশাক শিল্পের উৎপাদন গতি বেড়েছে *”পিপিএম-সেবা” পদকে ভূষিত হলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান মহোদয় ‘বাণিজ্য ও রপ্তানি খাতে বিদেশি আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পাঁয়তারা চলছে’ —আল্লামা মামুনুল হক *দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে শ্যামপুর থানা পুলিশের অভিযান: ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও ৯ হাজার মুখোশ উদ্ধার, গ্রেফতার এক* অধৈর্যশীলদের এয়ারপোর্ট থেকে প্রত্যাহার করুন সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান এমপি’র মতবিনিময় সোনারগাঁও থানা পুলিশ কর্তৃক ৩৫ বোতল স্কার্ফসহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার *যাত্রাবাড়ী থানাধীন দক্ষিণ দনিয়ায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০ ককটেল উদ্ধার

অবশেষে তারেক রহমানের সাক্ষাৎ পেলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা-কর্মীরা

রিপোর্টার সেলিম বেপারী
  • আপডেট সময় : ০৯:১০:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিভিন্ন স্টেট থেকে নিউইয়র্কে আসা বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাক্ষাৎ নিয়ে নানা জটিলতার পর অবশেষে শুভেচ্ছা ও কুশলাদি বিনিময়ের সুযোগ হয়েছে।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে গত ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে আসেন তারেক রহমান। এ সময় তাকে স্বাগত জানাতে জেএফকে বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বিএনপির নেতা-কর্মীরা। জাতিসংঘের সামনে শান্তি সমাবেশ এবং নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলের সামনে বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তাদের উপস্থিতি ছিল।
দলীয় চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাতের আশায় অনেক নেতা-কর্মী পাঁচ দিন আগে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে নিউইয়র্কে এসে অবস্থান নেন। পরে গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে সাক্ষাতের জন্য বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী জড়ো হন। তাদের মধ্যে প্রায় ২২০ জন পর্যায়ক্রমে হোটেলের করিডোরে অপেক্ষা করছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে।
সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও বাদানুবাদের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ রয়েছে, এ কারণে অপেক্ষমাণ অধিকাংশ নেতা-কর্মী তারেক রহমানের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময়ের সুযোগ পাননি। তবে শেষ পর্যন্ত প্রায় শতাধিক নেতা-কর্মী পর্যায়ক্রমে ভেতরে গিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে করমর্দন ও কুশলাদি বিনিময়ের সুযোগ পান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় তারেক রহমানের পাশে ছিলেন আব্দুল লতিফ সম্রাট, গিয়াস আহমেদ, জিল্লুর রহমান, মিজানুর রহমান ভূইয়া মিল্টন, ফয়সল চৌধুরী, নাহিদুল হকসহ আরও কয়েকজন নেতা। একপর্যায়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবীরও তারেক রহমানের পাশে অবস্থান করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সিনিয়র নেতারা এসএসএফের অনুমতি নিয়ে একে একে ভেতরে প্রবেশ করে সালাম ও কুশলাদি বিনিময় করেন।
বিএনপির এক কেন্দ্রীয় নেতার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্তরাষ্ট্রে সক্রিয় থাকা নেতা-কর্মীদের মধ্য থেকে বিভিন্ন স্টেট কমিটির ‘সুপার ফাইভ’, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং নিউইয়র্ক মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ প্রায় ৩০০ জনের একটি তালিকা করা হয়েছিল। তবে তালিকাটি ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে এসএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ফলে ২৫ সেপ্টেম্বর জুমার নামাজের পর সবার কাছে পাস বিতরণ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
এদিকে কথিত নাগরিক সংবর্ধনা বাতিল হওয়ায় টাইমস স্কয়ার সংলগ্ন ম্যারিয়ট হোটেলের একটি মিলনায়তনে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে সেটিও এসএসএফের অনুমতি না পাওয়ায় বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা অনেক নেতা-কর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন পর দলীয় চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করার প্রত্যাশা থাকলেও ব্যবস্থাপনার কারণে অনেকেই সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
তবে ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জেএফকে বিমানবন্দরের উদ্দেশে হোটেল ত্যাগের সময় লবিতে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তারেক রহমান শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
পরিস্থিতি সম্পর্কে বিএনপি নেতা গিয়াস আহমেদ ও আব্দুল লতিফ সম্রাট পৃথকভাবে গণমাধ্যমকে বলেন, জাতিসংঘের অধিবেশনের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে তারেক রহমান অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ কারণে তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সময় দিতে পারেননি। তবে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বিএনপির নেতা-কর্মীদের আন্দোলন-সংগ্রামের ভূমিকা সম্পর্কে তিনি অবগত রয়েছেন।
অন্যদিকে কয়েকজন সিনিয়র নেতা অভিযোগ করেন, দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে চেয়ারম্যানের শুভেচ্ছা বিনিময় এবং নাগরিক সংবর্ধনার সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকনের সমন্বয়হীনতার কারণেই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে আনোয়ার হোসেন খোকনের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বিএনপির সাংগঠনিক কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিনের অসন্তোষের কথাও নেতা-কর্মীরা তারেক রহমানের কাছে তুলে ধরেছেন বলে জানা গেছে। প্রায় ২৮ মাস আগে নিউইয়র্ক স্টেট, নিউইয়র্ক মহানগরসহ ১৩টি স্টেটে সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদকসহ পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। এসব কমিটি ‘সুপার ফাইভ’ নামে পরিচিতি পায়। পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের কথা থাকলেও দীর্ঘ সময়েও তা না হওয়ায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে হতাশা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
সাক্ষাৎ পাওয়া কয়েকজন নেতা এ বিষয়টি তারেক রহমানের কাছে তুলে ধরলে তিনি সাংগঠনিক অব্যবস্থাপনা দূর করার আশ্বাস দিয়েছেন বলে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির আগের কমিটি প্রায় ১৪ বছর আগে ভেঙে দেওয়া হলেও নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের বিষয়টি এখনও ঝুলে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।h

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অবশেষে তারেক রহমানের সাক্ষাৎ পেলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা-কর্মীরা

আপডেট সময় : ০৯:১০:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিভিন্ন স্টেট থেকে নিউইয়র্কে আসা বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাক্ষাৎ নিয়ে নানা জটিলতার পর অবশেষে শুভেচ্ছা ও কুশলাদি বিনিময়ের সুযোগ হয়েছে।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে গত ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে আসেন তারেক রহমান। এ সময় তাকে স্বাগত জানাতে জেএফকে বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বিএনপির নেতা-কর্মীরা। জাতিসংঘের সামনে শান্তি সমাবেশ এবং নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলের সামনে বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তাদের উপস্থিতি ছিল।
দলীয় চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাতের আশায় অনেক নেতা-কর্মী পাঁচ দিন আগে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে নিউইয়র্কে এসে অবস্থান নেন। পরে গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে সাক্ষাতের জন্য বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী জড়ো হন। তাদের মধ্যে প্রায় ২২০ জন পর্যায়ক্রমে হোটেলের করিডোরে অপেক্ষা করছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে।
সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও বাদানুবাদের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ রয়েছে, এ কারণে অপেক্ষমাণ অধিকাংশ নেতা-কর্মী তারেক রহমানের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময়ের সুযোগ পাননি। তবে শেষ পর্যন্ত প্রায় শতাধিক নেতা-কর্মী পর্যায়ক্রমে ভেতরে গিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে করমর্দন ও কুশলাদি বিনিময়ের সুযোগ পান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় তারেক রহমানের পাশে ছিলেন আব্দুল লতিফ সম্রাট, গিয়াস আহমেদ, জিল্লুর রহমান, মিজানুর রহমান ভূইয়া মিল্টন, ফয়সল চৌধুরী, নাহিদুল হকসহ আরও কয়েকজন নেতা। একপর্যায়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবীরও তারেক রহমানের পাশে অবস্থান করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সিনিয়র নেতারা এসএসএফের অনুমতি নিয়ে একে একে ভেতরে প্রবেশ করে সালাম ও কুশলাদি বিনিময় করেন।
বিএনপির এক কেন্দ্রীয় নেতার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্তরাষ্ট্রে সক্রিয় থাকা নেতা-কর্মীদের মধ্য থেকে বিভিন্ন স্টেট কমিটির ‘সুপার ফাইভ’, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং নিউইয়র্ক মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ প্রায় ৩০০ জনের একটি তালিকা করা হয়েছিল। তবে তালিকাটি ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে এসএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ফলে ২৫ সেপ্টেম্বর জুমার নামাজের পর সবার কাছে পাস বিতরণ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
এদিকে কথিত নাগরিক সংবর্ধনা বাতিল হওয়ায় টাইমস স্কয়ার সংলগ্ন ম্যারিয়ট হোটেলের একটি মিলনায়তনে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে সেটিও এসএসএফের অনুমতি না পাওয়ায় বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা অনেক নেতা-কর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন পর দলীয় চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করার প্রত্যাশা থাকলেও ব্যবস্থাপনার কারণে অনেকেই সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
তবে ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জেএফকে বিমানবন্দরের উদ্দেশে হোটেল ত্যাগের সময় লবিতে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তারেক রহমান শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
পরিস্থিতি সম্পর্কে বিএনপি নেতা গিয়াস আহমেদ ও আব্দুল লতিফ সম্রাট পৃথকভাবে গণমাধ্যমকে বলেন, জাতিসংঘের অধিবেশনের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে তারেক রহমান অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ কারণে তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সময় দিতে পারেননি। তবে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বিএনপির নেতা-কর্মীদের আন্দোলন-সংগ্রামের ভূমিকা সম্পর্কে তিনি অবগত রয়েছেন।
অন্যদিকে কয়েকজন সিনিয়র নেতা অভিযোগ করেন, দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে চেয়ারম্যানের শুভেচ্ছা বিনিময় এবং নাগরিক সংবর্ধনার সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকনের সমন্বয়হীনতার কারণেই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে আনোয়ার হোসেন খোকনের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বিএনপির সাংগঠনিক কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিনের অসন্তোষের কথাও নেতা-কর্মীরা তারেক রহমানের কাছে তুলে ধরেছেন বলে জানা গেছে। প্রায় ২৮ মাস আগে নিউইয়র্ক স্টেট, নিউইয়র্ক মহানগরসহ ১৩টি স্টেটে সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদকসহ পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। এসব কমিটি ‘সুপার ফাইভ’ নামে পরিচিতি পায়। পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের কথা থাকলেও দীর্ঘ সময়েও তা না হওয়ায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে হতাশা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
সাক্ষাৎ পাওয়া কয়েকজন নেতা এ বিষয়টি তারেক রহমানের কাছে তুলে ধরলে তিনি সাংগঠনিক অব্যবস্থাপনা দূর করার আশ্বাস দিয়েছেন বলে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির আগের কমিটি প্রায় ১৪ বছর আগে ভেঙে দেওয়া হলেও নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের বিষয়টি এখনও ঝুলে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।h